গুদারাঘাট কাঁচা বাজার,মধ্যবাড্ডা, গুলশান- ১, ঢাকা
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (উত্তর) এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়ে থাকে গুদারাঘাট
কাঁচা বাজার। এই কাঁচা বাজার ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত। এখানে মোট ১২০ টি
দোকান রয়েছে।
অবস্থান
গুলশান ১ গোল চক্কর থেকে ২৫০ গজ পূর্বে বাজারটি অবস্থিত। অথবা গুলশান লেকের পূর্ব পাশে বাজারটি অবস্থিত।
ঠিকানা
মধ্যবাড্ডা, গুলশান- ১, ঢাকা- ১২১২।
সময়সূচী
- এই বাজারে দোকান খোলার সময় সকাল ৭ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
- কোন প্রকার সাপ্তাহিক বা মাসিক বন্ধ নাই।
দোকানের সংখ্যা
- মাছের দোকান- ১২ টি
- গরুর মাংসের দোকান- ৫ টি
- খাসির মাংসের দোকান- ৩ টি
- মুরগীর মাংসের দোকান- ৭ টি
- নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান- ১০ টি
- পান-সুপারী দোকান- ৮ টি
- ফলের দোকান- ২০ টি
কয়েকটি দোকান
- মানিক গোস্তের দোকান
- ভাই ভাই মাংসের দোকান
- বিসমিল্লাহ ষ্টোর (মুদি দোকান)
- মেসার্স সাইফুল এন্টারপ্রাইজ (মুদি দোকান)
- ইয়াছিন ব্রয়লার চিকেন হাউজ (মুরগীর দোকান)
- রাফসান জেনারেল ষ্টোর-২ (মুদি দোকান)
- দেলু ব্রয়লার হাউস (মুরগীর দোকান)
পশু জবাই
- বাজারের দক্ষিণ দিকে গরু এবং খাসি জবাই করার জন্য নির্ধারিত জায়গা রয়েছে।
- পশু সকাল ৬ টায় জবাই করা হয়।
- অর্ডার দিলে মাংস বিক্রেতাগণ বাসায় মাংস পৌঁছে দেয় এবং বাসায় গিয়েও পশু জবাই করে দেয়। পশু জবাই ও মাংস বানানোর জন্য গরুপ্রতি ২,০০০ টাকা এবং খাসিপ্রতি ৮০০ টাকা হারে চার্জ দিতে হয়।
- গরু বা খাসির শুধু ভুড়ি, কলিজা বা অন্য কোন অংশের বেশি পরিমানে কিনতে হলে সকাল ৬ টা থেকে ৯ টার মধ্যে আসতে হয়।
- রবিবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন পশু জবাই করা হয়।
- রবিবারে শুধুমাত্র খাসি জবাই করা হয়ে থাকে।
- মাংসের দাম প্রতি কেজি হিসেবে নির্ধারণ হয়ে থাকে।
যেসব পণ্য পাওয়া যায়
- এই বাজারের প্রবেশ মুখে পশ্চিম গেটে রয়েছে তরকারীর দোকান ও মুদি দোকান, উত্তর কোণে রয়েছে মাছের দোকান, মাংসের দোকান ও কাঁচা তরকারীর দোকান, পূর্ব পাশেও রয়েছে মাছ ও মাংসের দোকান, মধ্যখানে রয়েছে মুদি দোকান ও শুটকীর দোকান এবং পূর্ব গেটে রয়েছে পানের দোকান ও তরকারীর দোকান।
- এই বাজারে সকল মাছ কেজিতে বিক্রয় করা হয়। ইলিশ মাছ, শোল মাছ, কৈ মাছ, মাগুর, শিং, আইড় মাছ পিস হিসেবে বিক্রয় হয়।
- বরফ দেয়া মাছ পাওয়া যায়।
- এই বাজার মৌসুমী কাঁচা তরকারী ছাড়াও আলু, পেয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ, শাক-সবজি, কপি, পটল পাওয়া যায়।
- শুটকির ২ টি দোকান রয়েছে। শুটকির দোকানে প্যাকেট ইলিশ, চিংড়ি, ভোলা, চাপিলা মাসের শুটকি পাওয়া যায়।
- মুরগী জবাই ও ছিলে দেওয়ার জন্য আলাদা চার্জ দিতে হয় না।
- পশুর কোন অংশ বেশি পরিমাণে ক্রয় করলে বানিয়ে দেওয়া হয়। তার মূল্য আলাদা কোন চার্জ দিতে হয় না।
বিবিধ
- পরিস্কার করার জন্য মার্কেটের পক্ষ থেকে পরিস্কার কর্মী নিয়োগ করা আছে। তারা প্রতি দিন বাজার শেষ হওয়ার পর ঝাড়ু দিয়ে থাকে।
- এই মার্কেটের উত্তর-পূর্ব পাশে ২ টি টয়লেট আছে। কিন্তু মহিলাদের জন্য কোন ব্যবস্থা নেই।
- বৃষ্টির সময় পানি পড়েনা।
- মাছ/ মাংস/ মুরগী ওজন করার জন্য দাড়িপাল্লা ও ডিজিটাল উভয় ধরণের মেশিন ব্যবহার করা হয়।
- বাজারের গাড়ী পার্কিং এলাকায় এক সাথে ৪০ টি গাড়ী পার্ক করা যায়।
