জুমার দিনের ফজিলত
সপ্তাহের দিনগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠদিন হল জুমার দিন।(মুসলিম)
মুসলমানদের জন্য শুক্রবার একটি বিশেষ অর্থবহ দিন।। কিন্তু কি এর কারণ?? কেনই
বা শুক্রবারের গুরুত্ব এতো, তা হয়তো অনেকেই জানি না।। আসুন তবে জেনে নেই আজ।।
১ শুক্রবার দিনে প্রথম মানুষ হযরত আদম(আ) কে সৃষ্টি করা হয়েছে।।
২। এই দিনে হযরত আদম(আ) বেহেশতে স্থান দেয়া হয়েছে।।
৩। এই দিনেই হযরত আদম(আ) পৃথিবীতে অবতরণ করেন।।
৪। সপ্তাহের সাতটি দিনের মাঝে শুক্রবারই সে দিন যেদিন হযরত আদম(আ) মৃত্যুবরণ
করেছিলেন।।
●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
সূর্য উদিত হয় এরুপ দিনগুলোর মধ্যে জুম’আর দিনটিই হল সর্বোত্তম।
(১)এই দিনেই আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল – [ আবু দাউদ – ১০৪৬ ],
(২)এই দিনে তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছিল এবং
(৩)এই দিনেই তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল – [মুসলিম;জুম’আর নামাজ পর্ব ],
(৪)এই দিনে তাঁকে দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছিল,
(৫)এই দিনেই তাঁর তওবা কবুল করা হয়েছিল এবং
(৬)এই দিনেই তাঁর রূহ কবজ করা হয়েছিল – [ আবু দাউদ – ১০৪৬ ],
(৭)এই দিনেই শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে – [ আবু দাউদ – ১০৪৭ ],
(৮)এই দিনেই কিয়ামত হবে – [ আবু দাউদ – ১০৪৬ ],
(৯)এই দিনেই সকলেই বেহুঁশ হয়ে যাবে – [ আবু দাউদ – ১০৪৭ ],
(১০)নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতাগন,আকাশ,পৃথিবী,বাতাস,পর্বত ও সমুদ্র সবই জুম’আর দিনে শংকিত হয়। – [ ইবনে মাজাহ – ১০৮৪; মুয়াত্তা ইমাম মালেক ]।
৫ শুক্রবার দু’আ কবুলেরও দিন, তবে দুয়ায় নিষিদ্ধ/হারাম কিছু চাওয়া যাবে না।।
৬। এই দিনেই হবে কিয়ামত।
৭। দিনের ছোট পাপ সমূহ ক্ষমা করে দেবেন।(মুসলিম)
৮। নামাজে এসে একটা পাথর স্পর্শ করাও অনর্থক কাজ বিবেচিত হবে।(মুসলিম)সন্মুখে
জায়গা না থাকলে দুজনের মাঝে ফাঁক করে সামনে না যাওয়া।(বুখারী০
৯। জুমার দিনে গোসল করা সুন্নত।(বুখারী,মুসলিম)
১০। সুগন্ধি ব্যবহার।(বুখারী)
১১। প্রথম ঘন্টায় জুমায় গেলে ঊট কুরবানীর সাওয়াব,দ্বিতীয় ঘন্টায় গরু কুরবানীর
সাওয়াব,তৃতীয় ঘন্টায় ছাগল বা ভেড়ার সাওয়াব,চতুর্থ ঘন্টায় মুরগির সাওয়াব,পঞ্চম
ঘন্টায় একটি ডিমের সাওয়াব।(বুখারী,মুসলিম)
১২। এদিনে এমন এক সময় রয়েছে সে সময়ে আল্লাহ তাআলা বান্দার দোয়া কবুল
করেন।(বুখারী,মুসলিম)
১৩। রাসূল সাঃ এর উপর অধিক পরিমানে দরুদ পাঠানো,আল্লাহ তাআলা আমাদের দরুদ তাঁর
সন্মুখে পেশ করিয়ে থাকেন।(আবূ দাউদ)একবার দরুদ পাঠালে আল্লাহ তাআলা দশবার রহমত
প্রেরণ করবেন বান্দার উপর।(মুসলিম)
১৪। সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা,বিনিময়ে আল্লাহ দুজুমার মধ্যবর্তি সময় নূর দ্বারা
আলোকিত করবেন।(নাসাঈ,বাইহাক্বী)
১৫। উত্তম কাপড় পরিধান করা।(বুখারী,মুসলিম,আহমাদ)
১৬। মিসওয়াক করা,পরিচ্ছন্ন হওয়া।(আহমাদ)
১৭। এটি এমন একটি দিন যেদিন আল্লাহ তায়ালা, পরম করুনাময় আমাদের সগীরা(ছোট)
গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিয়ে থাকেন, শুধুমাত্র ঐ দিনেরই নয় বরং পুরো সপ্তাহের এবং
সাথে অতিরিক্ত আরো তিন দিনের। সহীহ মুসলিমের হাদীসটি বর্ণিত হলঃ আবু হুরায়রা
(রা) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ(সঃ) বলেন, “যদি কেউ যথাযথভাবে ওযু (পবিত্রতা
অর্জন) করল, এরপর জুমার নামাযে আসলো, মনোযোগের সাথে খুতবা শুনলো এবং নীরবতা
পালন করে, তার ঐ শুক্রবার এবং পরবর্তী শুক্রবারের মধ্যবর্তী সকল ছোটোখাট
গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে, সাথে অতিরিক্ত আরো তিনটি দিনেরও।” (মুসলিম)
সবাইকে অনুরধ করব আপনারা হিংসা , হানাহানি বন্ধ করে দ্বীনের পথে চলে আসুন।
শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন।
মুসলমানদের জন্য শুক্রবার একটি বিশেষ অর্থবহ দিন।। কিন্তু কি এর কারণ?? কেনই
বা শুক্রবারের গুরুত্ব এতো, তা হয়তো অনেকেই জানি না।। আসুন তবে জেনে নেই আজ।।
১ শুক্রবার দিনে প্রথম মানুষ হযরত আদম(আ) কে সৃষ্টি করা হয়েছে।।
২। এই দিনে হযরত আদম(আ) বেহেশতে স্থান দেয়া হয়েছে।।
৩। এই দিনেই হযরত আদম(আ) পৃথিবীতে অবতরণ করেন।।
৪। সপ্তাহের সাতটি দিনের মাঝে শুক্রবারই সে দিন যেদিন হযরত আদম(আ) মৃত্যুবরণ
করেছিলেন।।
●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
সূর্য উদিত হয় এরুপ দিনগুলোর মধ্যে জুম’আর দিনটিই হল সর্বোত্তম।
(১)এই দিনেই আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল – [ আবু দাউদ – ১০৪৬ ],
(২)এই দিনে তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছিল এবং
(৩)এই দিনেই তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল – [মুসলিম;জুম’আর নামাজ পর্ব ],
(৪)এই দিনে তাঁকে দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছিল,
(৫)এই দিনেই তাঁর তওবা কবুল করা হয়েছিল এবং
(৬)এই দিনেই তাঁর রূহ কবজ করা হয়েছিল – [ আবু দাউদ – ১০৪৬ ],
(৭)এই দিনেই শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে – [ আবু দাউদ – ১০৪৭ ],
(৮)এই দিনেই কিয়ামত হবে – [ আবু দাউদ – ১০৪৬ ],
(৯)এই দিনেই সকলেই বেহুঁশ হয়ে যাবে – [ আবু দাউদ – ১০৪৭ ],
(১০)নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতাগন,আকাশ,পৃথিবী,বাতাস,পর্বত ও সমুদ্র সবই জুম’আর দিনে শংকিত হয়। – [ ইবনে মাজাহ – ১০৮৪; মুয়াত্তা ইমাম মালেক ]।
৫ শুক্রবার দু’আ কবুলেরও দিন, তবে দুয়ায় নিষিদ্ধ/হারাম কিছু চাওয়া যাবে না।।
৬। এই দিনেই হবে কিয়ামত।
৭। দিনের ছোট পাপ সমূহ ক্ষমা করে দেবেন।(মুসলিম)
৮। নামাজে এসে একটা পাথর স্পর্শ করাও অনর্থক কাজ বিবেচিত হবে।(মুসলিম)সন্মুখে
জায়গা না থাকলে দুজনের মাঝে ফাঁক করে সামনে না যাওয়া।(বুখারী০
৯। জুমার দিনে গোসল করা সুন্নত।(বুখারী,মুসলিম)
১০। সুগন্ধি ব্যবহার।(বুখারী)
১১। প্রথম ঘন্টায় জুমায় গেলে ঊট কুরবানীর সাওয়াব,দ্বিতীয় ঘন্টায় গরু কুরবানীর
সাওয়াব,তৃতীয় ঘন্টায় ছাগল বা ভেড়ার সাওয়াব,চতুর্থ ঘন্টায় মুরগির সাওয়াব,পঞ্চম
ঘন্টায় একটি ডিমের সাওয়াব।(বুখারী,মুসলিম)
১২। এদিনে এমন এক সময় রয়েছে সে সময়ে আল্লাহ তাআলা বান্দার দোয়া কবুল
করেন।(বুখারী,মুসলিম)
১৩। রাসূল সাঃ এর উপর অধিক পরিমানে দরুদ পাঠানো,আল্লাহ তাআলা আমাদের দরুদ তাঁর
সন্মুখে পেশ করিয়ে থাকেন।(আবূ দাউদ)একবার দরুদ পাঠালে আল্লাহ তাআলা দশবার রহমত
প্রেরণ করবেন বান্দার উপর।(মুসলিম)
১৪। সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা,বিনিময়ে আল্লাহ দুজুমার মধ্যবর্তি সময় নূর দ্বারা
আলোকিত করবেন।(নাসাঈ,বাইহাক্বী)
১৫। উত্তম কাপড় পরিধান করা।(বুখারী,মুসলিম,আহমাদ)
১৬। মিসওয়াক করা,পরিচ্ছন্ন হওয়া।(আহমাদ)
১৭। এটি এমন একটি দিন যেদিন আল্লাহ তায়ালা, পরম করুনাময় আমাদের সগীরা(ছোট)
গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিয়ে থাকেন, শুধুমাত্র ঐ দিনেরই নয় বরং পুরো সপ্তাহের এবং
সাথে অতিরিক্ত আরো তিন দিনের। সহীহ মুসলিমের হাদীসটি বর্ণিত হলঃ আবু হুরায়রা
(রা) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ(সঃ) বলেন, “যদি কেউ যথাযথভাবে ওযু (পবিত্রতা
অর্জন) করল, এরপর জুমার নামাযে আসলো, মনোযোগের সাথে খুতবা শুনলো এবং নীরবতা
পালন করে, তার ঐ শুক্রবার এবং পরবর্তী শুক্রবারের মধ্যবর্তী সকল ছোটোখাট
গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে, সাথে অতিরিক্ত আরো তিনটি দিনেরও।” (মুসলিম)
সবাইকে অনুরধ করব আপনারা হিংসা , হানাহানি বন্ধ করে দ্বীনের পথে চলে আসুন।
শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন।
