শহীদ সোহরাওয়াদী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
শহীদ সোহরাওয়াদী হাসপাতাল ১৯৬৭ সালে
প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত এই
হাসপাতালটি সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছে । ২০০৫ সালে এই
হাসপাতালটিতে মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম শুরু করে । বর্তমানে এই হাসপাতালটি
শহীদ সোহরাওয়াদী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নামে পরিচিত।
ঠিকানা ও যোগাযোগ
শেরে-বাংলানগর, ঢাকা- ১২০৭।
মোবাইল: +৮৮-০২-৯১৩০৮০০-১৯
ওয়েব: www.shsmc.edu.bd
অবস্থান :
শহীদ সোহরাওয়াদী হাসপাতাল ঢাকার শেরে-ই-বাংলা নগরে জাতীয় হৃদরোগ ইনষ্টিটিউট এর পাশে অবস্থিত ।
অনুসন্ধান ডেস্ক ও এ্যাম্বুলেন্স :
হাসপাতালে চিকিৎসা প্রার্থী রোগীদের প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের জন্য এই হাসপাতালে একটি অনুসন্ধানকেন্দ্র রয়েছে । এটি হাসপাতালের প্রবেশ পথেই অবস্থিত । অসুস্থ রোগীদের আনা নেয়ার জন্য এখানে ৩ টি এ্যাম্বুলেন্স রয়েছে ।
বহির্বিভাগে চিকিৎসা সেবা :
অন্য সব সরকারী হাসপাতালের মত শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালেও বহির্বিভাগে এমবিবিএস ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে থাকে । বহির্বিভাগে ডাক্তার দেখাতে হলে প্রথমে কাউন্টার থেকে ১০ টাকা মূল্যের টিকেট কাটতে হবে । অনুসন্ধান কক্ষের ডান দিকে ৩ টি বহির্বিভাগ কাউন্টার রয়েছে । কাউন্টারে রোগী গেলে কাউন্টারে দায়িত্বশীল ব্যাক্তি রোগীর কাছ থেকে তার সমস্যা বা রোগের লক্ষণ শুনে ঐ রোগ সম্পর্কিত বিভাগে রোগীকে পাঠিয়ে দেয় । এখানে মেডিসিন, ডেন্টাল, শিশু বিকাশ কেন্দ্র, অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন, চর্ম ও যৌন রোগ, শিশু, গাইনী, শিশু সার্জারী, এ্যাজমা সেন্টার, নিউরোলজি ও কার্ডিওলজি বিভাগসহ মোট ১১ টি বিভাগ রয়েছে । বহির্বিভাগ প্রতিদিন সকাল ০৮.০০ ঘটিকা হইতে দুপুর ০২.০০ ঘটিকা পর্যন্ত খোলা থাকে ।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও শিক্ষকদের নামের তালিকা:
এনাটমি বিভাগ
মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ
কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগ
ফার্মাকোলজি বিভাগ
প্যাথলজি বিভাগ
যে সকল রোগের অপরেশন করা হয় :
এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগের অপারেশন ছাড়া অন্যান্য রোগের জটিল অপারেশন সম্পন্ন হয়ে থাকে ।
আর্থিক ভাবে অসচ্চল রোগীদের জন্য বিশেষ সুবিধা :
দরিদ্র ও অসহায় রোগীরা সমাজ সেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করে ঔষধ পত্রসহ বিভন্ন টেষ্ট ও সিট ভাড়ার ক্ষেত্রে আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন। সমাজ সেবা কার্যালয় হাসপাতালের নিচতলায় ব্লক -৬ এ অবস্থিত।
রোগী ভর্তি হতে করনীয় :
রোগী হাসপাতালে ভর্তি হতে হলে প্রথমে হাসপাতালের বহির্বিভাগে গিয়ে ডাক্তার দেখাতে হবে। ডাক্তার রোগীকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে হাসপাতালে ভর্তি হতে বললে ১০ দিনের সিট ভাড়া অগ্রিম প্রদান করা সহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর সিট খালি থাকা সাপেক্ষে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি নেওয়া হয়, জরুরী প্রয়োজনে সিট খালি না থাকলে রোগী ভর্তি নেওয়া হয় না। সিট পাওয়ার জন্য হাসপাতালের ২য় তলার রেন্ট কালেকশন বিভাগে যোগাযোগ করতে হয়। এই হাসপাতালে মোট ৩০টি কেবিন ও ১১টি ওয়ার্ড রয়েছে। বেড প্রতিদিন-২২৫টাকা ভাড়া । কেবিন বেড প্রতিদিন ৩৭৫ টাকা।
প্যাথলজিক্যাল টেষ্ট ডিসপেনসারি :
সঠিক ভাবে রোগ নির্ণয়ে প্যাথলজিক্যাল টেষ্ট অত্যান্ত জরুরী। এখানে সব ধরনের টেস্টের ব্যবস্থা রয়েছে। এই মেডিকেল কলেজের নিজস্ব ডিসপেনসারীটি অনুসন্ধান কক্ষের বাম পাশে অবস্থিত । ডিসপেনসারী থেকে নির্ধারতি কিছু ঔষধ রোগীদের বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। এছাড়া অন্যান্য ঔষধ কিনতে হলে হাসপাতালের উল্টোদিকে বেশ কিছু ঔষধের দোকান রয়েছে । এই হাসপাতালের ১টি ব্লাড ব্যাংক রয়েছে যা হাসপাতালের নিচতলায় অবস্থিত। ব্লাড ব্যাংক অগ্রিম রক্ত মজুদ থাকে না তবে রোগীকে যদি কেউ রক্ত দিতে চায় সেক্ষেত্রে ব্লাড ব্যাংক রক্ত নিয়ে পরীক্ষা করার পর রোগীকে দেওয়া হয়। রক্তের গ্রুপ জেনে রাখা ভাল। জুরুরী অবস্থায় সময় সাশ্রয় হয়।
পোষ্টমর্টেম ও লাশ খোঁজার প্রক্রিয়া:
এই হাসপাতালে উচ্চ ডিগ্রীধারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের চেম্বার রয়েছে। হাসপাতালে রোগীদের পরিচর্যার জন্য ১৭৪ জন নার্স কর্মরত আছে।
লিফট, গাড়ি পার্কিং ও অন্যান্য :
ঠিকানা ও যোগাযোগ
শেরে-বাংলানগর, ঢাকা- ১২০৭।
মোবাইল: +৮৮-০২-৯১৩০৮০০-১৯
ওয়েব: www.shsmc.edu.bd
অবস্থান :
শহীদ সোহরাওয়াদী হাসপাতাল ঢাকার শেরে-ই-বাংলা নগরে জাতীয় হৃদরোগ ইনষ্টিটিউট এর পাশে অবস্থিত ।
অনুসন্ধান ডেস্ক ও এ্যাম্বুলেন্স :
হাসপাতালে চিকিৎসা প্রার্থী রোগীদের প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের জন্য এই হাসপাতালে একটি অনুসন্ধানকেন্দ্র রয়েছে । এটি হাসপাতালের প্রবেশ পথেই অবস্থিত । অসুস্থ রোগীদের আনা নেয়ার জন্য এখানে ৩ টি এ্যাম্বুলেন্স রয়েছে ।
বহির্বিভাগে চিকিৎসা সেবা :
অন্য সব সরকারী হাসপাতালের মত শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালেও বহির্বিভাগে এমবিবিএস ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে থাকে । বহির্বিভাগে ডাক্তার দেখাতে হলে প্রথমে কাউন্টার থেকে ১০ টাকা মূল্যের টিকেট কাটতে হবে । অনুসন্ধান কক্ষের ডান দিকে ৩ টি বহির্বিভাগ কাউন্টার রয়েছে । কাউন্টারে রোগী গেলে কাউন্টারে দায়িত্বশীল ব্যাক্তি রোগীর কাছ থেকে তার সমস্যা বা রোগের লক্ষণ শুনে ঐ রোগ সম্পর্কিত বিভাগে রোগীকে পাঠিয়ে দেয় । এখানে মেডিসিন, ডেন্টাল, শিশু বিকাশ কেন্দ্র, অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন, চর্ম ও যৌন রোগ, শিশু, গাইনী, শিশু সার্জারী, এ্যাজমা সেন্টার, নিউরোলজি ও কার্ডিওলজি বিভাগসহ মোট ১১ টি বিভাগ রয়েছে । বহির্বিভাগ প্রতিদিন সকাল ০৮.০০ ঘটিকা হইতে দুপুর ০২.০০ ঘটিকা পর্যন্ত খোলা থাকে ।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও শিক্ষকদের নামের তালিকা:
এনাটমি বিভাগ
|
নাম |
পদবী |
|
ডা: শাহনাজ বেগম |
সহযোগী অধ্যাপক |
|
ডা: রফিকুল আলম |
সহযোগী অধ্যাপক |
|
ডা: শাকিল সামস |
কিউরেটর |
|
ডা: নাজমুল হক |
প্রভাষক |
|
ডা: আব্দুল মোমেন |
প্রভাষক |
|
ডা: রওশন জাহান |
প্রভাষক |
|
ডা: শামসুল আল আমিন |
প্রভাষক |
|
ডা: রোখসানা বেগম |
প্রভাষক |
|
ডা: নন্দদুলাল শাহ |
প্রভাষক |
মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ
|
ডা: নাজমুল হক |
অধ্যাপক |
|
ডা: এবিসি |
প্রভাষক |
কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগ
|
ডা: মাহমুদা চৌধুরী |
বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যাপক |
|
ডা: মোমেনা খাতুন |
সহযোগী অধ্যাপক |
|
ডা: আফরোজা বেগম |
প্রভাষক |
|
ডা: সুরাইয়া রওশন আরা বেগম |
প্রভাষক |
|
ডা: এম. এন. ফাহমিদা আসমা |
প্রভাষক |
|
ডা: ফাওজিয়া ইয়াসমিন |
প্রভাষক |
ফার্মাকোলজি বিভাগ
|
ডা: লাইলা আফরোজা বানু |
অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান |
|
ডা: রামা সাহা |
সহযোগী অধ্যাপক |
|
ডা: ইলিজা ওমর ইভা |
প্রভাষক |
|
ডা: সাজিদ কুমার সরকার |
প্রভাষক |
|
ডা: সেহেলি বিনতে হোসাইন |
প্রভাষক |
প্যাথলজি বিভাগ
|
ডা: মহিউদ্দীন চিশতী |
বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যাপক |
|
ডা: হাসিনা আক্তার চৌধুরী |
কিউরেটর |
|
ডা: ফেরদৌস আহমেদ |
প্রভাষক |
|
ডা: নাহিদ কাইছার |
প্রভাষক |
|
ডা: খুরশীদা সামাদ |
প্রভাষক |
|
ডা: মকবুলা তাসরীন |
প্রভাষক |
যে সকল রোগের অপরেশন করা হয় :
এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগের অপারেশন ছাড়া অন্যান্য রোগের জটিল অপারেশন সম্পন্ন হয়ে থাকে ।
|
অপারেশন চার্জ : |
|
আর্থিক ভাবে অসচ্চল রোগীদের জন্য বিশেষ সুবিধা :
দরিদ্র ও অসহায় রোগীরা সমাজ সেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করে ঔষধ পত্রসহ বিভন্ন টেষ্ট ও সিট ভাড়ার ক্ষেত্রে আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন। সমাজ সেবা কার্যালয় হাসপাতালের নিচতলায় ব্লক -৬ এ অবস্থিত।
রোগী ভর্তি হতে করনীয় :
রোগী হাসপাতালে ভর্তি হতে হলে প্রথমে হাসপাতালের বহির্বিভাগে গিয়ে ডাক্তার দেখাতে হবে। ডাক্তার রোগীকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে হাসপাতালে ভর্তি হতে বললে ১০ দিনের সিট ভাড়া অগ্রিম প্রদান করা সহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর সিট খালি থাকা সাপেক্ষে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি নেওয়া হয়, জরুরী প্রয়োজনে সিট খালি না থাকলে রোগী ভর্তি নেওয়া হয় না। সিট পাওয়ার জন্য হাসপাতালের ২য় তলার রেন্ট কালেকশন বিভাগে যোগাযোগ করতে হয়। এই হাসপাতালে মোট ৩০টি কেবিন ও ১১টি ওয়ার্ড রয়েছে। বেড প্রতিদিন-২২৫টাকা ভাড়া । কেবিন বেড প্রতিদিন ৩৭৫ টাকা।
প্যাথলজিক্যাল টেষ্ট ডিসপেনসারি :
সঠিক ভাবে রোগ নির্ণয়ে প্যাথলজিক্যাল টেষ্ট অত্যান্ত জরুরী। এখানে সব ধরনের টেস্টের ব্যবস্থা রয়েছে। এই মেডিকেল কলেজের নিজস্ব ডিসপেনসারীটি অনুসন্ধান কক্ষের বাম পাশে অবস্থিত । ডিসপেনসারী থেকে নির্ধারতি কিছু ঔষধ রোগীদের বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। এছাড়া অন্যান্য ঔষধ কিনতে হলে হাসপাতালের উল্টোদিকে বেশ কিছু ঔষধের দোকান রয়েছে । এই হাসপাতালের ১টি ব্লাড ব্যাংক রয়েছে যা হাসপাতালের নিচতলায় অবস্থিত। ব্লাড ব্যাংক অগ্রিম রক্ত মজুদ থাকে না তবে রোগীকে যদি কেউ রক্ত দিতে চায় সেক্ষেত্রে ব্লাড ব্যাংক রক্ত নিয়ে পরীক্ষা করার পর রোগীকে দেওয়া হয়। রক্তের গ্রুপ জেনে রাখা ভাল। জুরুরী অবস্থায় সময় সাশ্রয় হয়।
পোষ্টমর্টেম ও লাশ খোঁজার প্রক্রিয়া:
- হাসপাতালে কোন রোগীর মুত্যুর পর পোষ্টেমর্টেমের প্রয়োজন হলে লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
- এখানে লাশ খোঁজার জন্য ওয়ার্ড মাস্টারের সাহায্য নিতে হয়।
এই হাসপাতালে উচ্চ ডিগ্রীধারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের চেম্বার রয়েছে। হাসপাতালে রোগীদের পরিচর্যার জন্য ১৭৪ জন নার্স কর্মরত আছে।
লিফট, গাড়ি পার্কিং ও অন্যান্য :
- লিফটের সুবিধা ও ১০০টি গাড়ি পার্কিং এর জন্য ব্যবস্থা রয়েছে এই হাসপাতালে।
- গাড়ি পার্কিং এর জন্য কোন চার্জ প্রযোজ্য নয়।
- হাসপাতালের নীচতলার বাম দিকে পুরুষদের ও মহিলাদের জন্য আলাদা ৩টি করে টয়লেট রয়েছে।
- অগ্লিকান্ড জনিত দূর্ঘটনারোধে হাসপাতালের নিজস্ব অগ্লিনির্বাপন ব্যবস্থা রয়েছে।