
মাদকবিরোধী ১০০ দিনের ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শেষে যশোরে ‘এসডাইভ ও ডোর টু ডোর
প্রোগ্রাম করছে পুলিশ। ক্র্যাশ প্রোগ্রামে ২৫ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করা
হয়েছে। চিহ্নিত মাদক আখড়া ধ্বংস করে দিয়ে সেখানে ফলের চারা রোপণ করা হযেছে।
পুলিশের এই মাদকবিরোধী অভিযানে একাত্মতা প্রকাশ করেছে বিভিন্ন
শ্রেণি-পেশার মানুষ। যশোরের পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমান জানান, মাদকের
বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানে সাধারণ মানুষ সহযোগিতা করেছে। মাদক, সন্ত্রাস ও
জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যশোর জেলা পুলিশ সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছে। যশোরের
ইতিহাসে এটি প্রথম বলে দাবি করেন তিনি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ক্র্যাশ
প্রোগ্রামে চিহ্নিত ছয়টি মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সেখানে রোপণ করা
হয়েছে ফলের চারা। ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শেষে আরো একশ’ দিনের ‘এসড্রাইভ’ ও ডোর
টু ডোর’ প্রোগ্রাম চলছে। মাদক বিরোধী অভিযানের সময় পাঁচ মাদক ব্যবসায়ী
বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে ৯শ’ মাদক
ব্যবসায়ী। ১৪ জন মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক ব্যবসায়ীর ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।
তাদের ধরতে পুরস্কার ঘোষণা করেছে যশোর জেলা পুলিশ। যশোরকে মাদকমুক্ত করতে
দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই উদ্যোগ নেন এসপি। তার উদ্যোগে মাদক, সন্ত্রাস ও
জঙ্গিবাদ নির্মূলে পত্রিকা সম্পাদক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে গত
২০শে জুন যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে গোলটেবিল বৈঠক
অনুষ্ঠিত হয়। তারপর থেকে চলছে মাদকবিরোধী জোর তৎপরতা।