Header Ads

হজযাত্রায় জটিলতা সৃষ্টিকারী এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

হজযাত্রায় জটিলতা সৃষ্টিকারী এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার। এমন হুঁশিয়ারি দিয়ে ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আসলে ব্যাপারটা হলো এজেন্সি, এজেন্সি যদি বিলম্ব না করতো তাহলে যাওয়ার ব্যাপারে এতকিছু হতো না। তাদের বিরুদ্ধে এক্সট্টিম অ্যাকশন নেবো। ফাইন, লাইসেন্স, জরিমানা- এ সমস্ত নিয়ম অনুযায়ী যেগুলো নিতে পারি, সেই ব্যবস্থা নেবো। কারো প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করবো না। তবে পরিস্থিতি যত জটিলই হোক, শেষ পর্যন্ত সবাইকে হজে পাঠানোর বিষয়ে আশ্বস্ত করে মতিউর রহমান বলেন, হজযাত্রীদের ভিসা জটিলতা প্রতিবারই হয়, তার সমাধানও করা হয়। ইনশাআল্লাহ, আমি আশাবাদী, ঠিক করতে পারবো। আশা রাখি, সবাইকে হজ করাব ইনশাআল্লাহ। কতগুলো হজ এজেন্সির কারণে এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে জানতে চাইলে ধর্মমন্ত্রী বলেন, জটিলতা সৃষ্টিকারী এজেন্সির তালিকা এখনও পাওয়া যায়নি। ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবে ৭২০ রিয়ালে মোয়াল্লেম ঠিক করার কথা থাকলেও এখন দেড় হাজার থেকে ১৯০০ রিয়াল বাড়তি লাগায় হজ এজেন্সিগুলো বিপাকে পড়ে গেছে। পরে তাদের কিস্তিতে বাড়তি টাকা শোধ করার সুযোগ দেয়ায় আপাতত সমস্যার সমাধান হলেও সেজন্য হজযাত্রীদের বাড়তি অর্থ গুনতে হবে। এছাড়া এবারের হজযাত্রীদের মধ্যে যারা ২০১৫-১৬ সালেও হজ করেছেন, ভিসার জন্য তাদের বাড়তি ২ হাজার রিয়াল (৪৪ হাজার টাকা) করে দিতে হবে। এ বিষয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি (দুই হাজার রিয়াল) পুনর্বিবেচনার জন্য সৌদি সরকারকে লিখেছি, আলোচনা চলছে। এটা চাপিয়ে দেয়া আমি মনে করি ঠিক হয়নি, আশা করি আমাদের আবেদন বিবেচনা হবে। তবে বাড়তি মোয়াল্লেম ফি মওকুফ না হলে সরকার হস্তক্ষেপ করতে পারবে না জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, সে ক্ষেত্রে সরকার টাকা দিয়ে হজযাত্রীদের সহযোগিতা করবে না। তবে এই টাকা যেন না দেয়া লাগে সে বিষয়ে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করবো। ৪৫ হাজার হজযাত্রী এখনও ভিসা না পেলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তারা ভিসা পেয়ে যাবেন। বিমানের এক ডজনের বেশি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় ২০টি অতিরিক্ত ফ্লাইটের ব্যবস্থা করতে মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সৌদি সরকারের কোটা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে এবার ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যাওয়ার কথা রয়েছে। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৯৭ হাজার ১৪০ জন হজযাত্রীর জন্য সৌদি ই-হজ্জ সিস্টেমে ভিসার আবেদন করা হলেও ভিসা পেয়েছেন ৫২ হাজার ৬০০ জন।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.